LiPi

বাংলা

Login

Menu

বাংলা

নাট্যকার সজিব (Sample)

আমাদের বাড়ির পাশেই এ শহরের এক নামজাদা ব্যক্তির বাড়ি৷ এক অতি সাধারণ তথা নিম্ন মধ্যবর্তি পরিবারে তাঁর জন্ম৷ আর্থিক সংকটের কারণে দশ ভাই-বোনদের কেউই উচ্চ শিক্ষা লাভ করতে পারেনি৷ ছোট বেলায় পিতার আকস্মিক মৃত্যুতে গোটা পরিবারটাই অসহায় হয়ে পড়ে৷ শহরে নিজেদের বাড়িটুকু ছাড়া আর কোন সম্পদ কিংবা উপার্জনের পথ ছিল না৷ তাই বড় তিন ভাইকে জীবন-জীবিকার সংগ্রামে নামতে হয়৷ মা-সহ আরো  চার ভাই ও তিন বোনের আহার জোটাতে হবে৷ লেখাপড়া শেখাতে হবে৷ অনেক দায়িত্ব৷ তিনি পিতা-মাতার দ্বিতীয় সন্তান৷ অতএব অন্য দু’ভাইয়ের সাথে মেধাবী ছাত্রটাকেও লেখাপড়ার পাঠ চুকাতে হলো৷ নাম তাঁর সজীব৷ সকলের কাছে নাট্যকার সজীব নামে পরিচিত৷ সজীব অর্থ প্রাঞ্জল অথবা সুস্থ-স্বাভাবিক হওয়ার কথা৷ কিন্ত তার ক্ষেত্রে ঘটেছে ভিন্ন৷ দশম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় তার শরীরে ধরা পড়লো মরণ ব্যাধি কুষ্ঠ৷ প্রথম অবস্থায় এটা কেউ জানতো না৷ মনে করেছিল সাধারণ কিছু৷ রোগ-শোকতো থাকবেই৷ তবে এতটা জানতে পারেনি৷

তিনি লেখালেখি করতেন৷ কবিতা, গল্প, গান৷ বেশি পছন্দ করতেন নাটক লিখতে৷ সে সময় আমাদের দেশে নাট্যকারের প্রচন্ড অভাব ছিল৷ তাই ভারতীয় লেখকদের স্ক্রিপ্ট দিয়ে মঞ্চ নাটকগুলো হতো৷ এরপর দেশে অনেক গুনীজন সে ঘাটতি পূরণ করেন৷ বাদল সরকার, সেলিম আল দীন, সৈয়দ শামসুল হক, মামুনুর রশীদ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, এস এম সোলায়মান প্রমুখ৷ কিন্ত তাঁরা ছিলেন জাতিয় পর্যায়ে৷ আঞ্চলিক পর্যায়ে চোখে পড়ার মত তেমন কেউ ছিল না৷ এমতাবস্থায় রংপুরের মত মফস্বল শহরে তাঁর নাম দ্রুত ছড়িয়ে পড়লো৷ বিশেষ করে জাতীয় বিভিন্ন দিবসে আমাদের পাড়ায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হতোই৷ আর এর সবটুকু অবদান ছিল তাঁর৷ কেননা তিনি একজন ভাল সংগঠকও ছিলেন৷ নাটক কিংবা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য বাহির থেকে কোন শিল্পি হায়ার করার প্রয়োজন হতো না৷ কেননা মুনসীপাড়ায় তখন অনেক নামি-দামি মঞ্চ ও বেতার শিল্পি ছিলেন৷ পাশাপাশি আব্বাস উদ্দিন একাডেমীর শিল্পিরাও অংশগ্রহন করতো৷ সমস্যা হতো নাটকের নারী চরিত্র নিয়ে৷ তখন এমেচার শিল্পি পাওয়া যেত না৷ পুরুষ চরিত্রগুলো আমরা পাড়ার ছেলেরাই করতাম৷ কিন্ত নারী চরিত্রের জন্য নাটকের বাজেট বেড়ে যেত৷ তখনো এত স্পন্সরশীপ পাওয়া যেত না৷ তাই আমরা নিজের চরিত্রটা যেন বাদ না পড়ে এজন্য চাঁদা দিতাম৷ যার চাঁদার পরিমান বেশি কিংবা নাট্যকারকে যে যত বেশি আপ্যায়ন করবে তার নাটকে উপস্থিতি বেশি থাকবে৷ চলতো নাট্যকারকে খুশি করার প্রতিযোগিতা৷ আর প্রতিদিন স্ক্রিপ্ট পরিবর্তন হতো৷ এভাবে অনেক নাটক করা হলো৷

অভিনয়ের নেশা তখন সংক্রামিত করলো৷ যুক্ত হলাম রংপুর থিয়েটারের সাথে৷ বড় বড় অনেক অভিনেতার সাথে পরিচয় ঘটলো৷ একসাথে কাজ করলাম৷ রংপুর থিয়েটার টেলিভিশনেও মঞ্চ নাটক করলো৷ ময়নার বিয়ে৷ রংপুরের আঞ্চলিক ভাষায়৷ ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল৷

 

এদিকে প্রতিদিন নাটকের পরিচালক হিসেবে রিহার্সেল তদারকি করতে আসেন নাট্য ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কাজী মোহাম্মদ জুননুন৷ বিমান ভাই, বাবলু ভাই প্রমুখ৷ সকলের আন্তরিকতা আর অদম্য স্পৃহায় এভাবেই অবশেষে মঞ্চস্থ হতো৷ একটা নাটক শেষ হলেই প্রস্তত হতাম পরবর্তি নাটকের জন্য৷ নাটক আর সজীব যেন মিলে মিশে একাকার৷ আমরা সবাই বলতাম৷ বয়সতো অনেক হলো৷ এখন বিয়ে করেন৷ কিন্ত তিনি এড়িয়ে যেতেন৷

কিছুদিন পর আবিস্কৃত হলো নাটকের নায়িকা হিসেবে যাকে ভাড়া করা হয়েছিল তার সাথে রোমাঞ্চ চলছে৷ মেয়েটার নাম অনি৷ আর যায় কোথায় সকলে জেকে ধরলো৷ কিন্ত উনি বললেন বাড়ি আমার বিয়েতে ইচ্ছুক নয়৷ বলে তুই অসুস্থ৷ কে তোর সংসার চালাবে?

এরমধ্যে সজীব ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়লেন৷ ওনাকে নিয়ে যাওয়া হলো নীলফামারী কুষ্ঠ হাসপাতালে৷ চিকিৎসা চললো প্রায় সাত বছর৷ হাসপাতালে বসে তিনি অনেকগুলো নাটক লিখলেন৷ সুস্থ হয়ে যখন তিনি ফিরে এলেন৷ আর দেরী করলেন না৷ তাঁর জন্য অপেক্ষারত অনিকে বিয়ে করলেন৷ যদিও তিনি আগের সেই শারীরিক সক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছেন৷ শীর্ণকায়৷ সোজা হয়ে হাঁটতে পারেন না৷ কিন্ত প্রাঞ্জলতার কমতি নেই৷  আবারো নব উদ্যমে নাট্যচর্চা শুরু হলো৷ অনি ও নাট্যকার সজীবের ঘর আলো করে আসলো তাঁদের একমাত্র পুত্র৷ তিনি স্ত্রী ও নিজের অদ্যাক্ষরের দিয়ে সন্তানের নাম রাখলেন “অসম”৷

নাট্যকার সজীব শহরে আরো পরিচিতি লাভ করলেন৷ নাটকই যেন তাঁর ধ্যান জ্ঞান হয়ে উঠলো৷ উপার্জন লাটে উঠলো৷ নাটক প্রিয় মানুষটা ভূলেই গেল যে তিনি এখন বিবাহিত৷ একটা সন্তান আছে৷ পরিবার আছে৷ সংসারের চাহিদা আছে৷ কিন্ত তিনি উদাসীন৷ নাট্যপ্রিয় মানুষটা একদিন সবচেয়ে বড় আঘাতটা পেল যখন তাঁর স্ত্রী তাঁকে ছেড়ে চলে গেল৷ সকলে চেষ্টা করলো তাদের সংসারটা জোড়া লাগানোর৷ কিন্ত তাঁর স্ত্রীর বক্তব্য একটাই, “সংসার করার জন্য আর্থিক ও শারীরিক যে দু”টো জিনিষ প্রয়োজন আপনাদের নাট্যকারের তার কোনটাই নেই”৷

স্ত্রী’র অপমান আর ছোট্ট অসমের ভবিষ্যৎ কী হবে? তাই এ আঘাতটা সজীব নিতে পারলেন না৷ তিনি আবার ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়লেন৷ যথারীতি তাঁকে আবারো কুষ্ঠ হাসপাতালে ভর্তি করা হলো৷ তবে ডাক্তাররা বললেন এবার ওনার অবস্থা ভাল নয়৷ ভয়ের কিছু নেই চিকিৎসা চলুক৷

আমার সারা জীবনের অভ্যেস হচ্ছে রাতে পড়াশুনা করা৷ রাতটা যেন আমার কাছে আলাদা রুপ নিয়ে হাজির হয়৷ তাই একে উপভোগ করি৷ স্বপ্নের জাল বুনি৷ ছিড়ে ফেলি৷ আবারো বুনি৷ আমি লেখাপড়ার পাশাপাশি বাবার মত প্রচুর বই পড়ি৷ বাবা রাত জাগা পছন্দ করতেন না৷ আমাদের বাড়িতে বাবার একটা অধ্যাদেশ ছিল৷ সেটা হলো রাতে ঘুমাতে গেলেও সকলের ঘরে অবশ্যই বাতি জ্বলবে৷ যাতে করে কেউ ফাঁকি দিয়ে রাতে বাড়ির বাইরে না থাকতে পারে৷ উনি জানালা দিয়ে চেক করতেন৷ তবে শুধুমাত্র আমার ঘরের বাতি বন্ধ থাকবে৷ যেন আমি রাত জেগে বই না পড়তে পারি৷ এ আইন আমরা সকলেই মেনে চলতাম৷ কিন্ত বই আমাকে ডাকে৷ রাত উপভোগের আহ্বান করে৷ আমি কখনো যা এড়াতে পারিনি৷ এখনো নয়৷ একদিন বাবার কাছে হাতে নাতে ধরা পরে গেলাম৷ আমি মাসুদ রানা সিরিজের একটা বই মুড়িয়ে জানালার বাহিরে বের করে বারান্দায় জ্বালানো আলোয় পড়ছিলাম৷ বাবা হঠাৎ দরজা খুলে বের হতেই আমাকে ঐ অবস্থায় দেখে ফেলে৷ ভয়ে আমি না পারছি ফেলে দিতে৷ আবার না পারছি বই সমেত হাত দু’টো ঢুকিয়ে ফেলতে৷ বাবা কাছে আসলেন৷ বইটা হাতে নিয়ে দরজা খুলতে বললেন৷ আমি তাই করলাম৷ উনি চুপচাপ৷ আমি আতঙ্কিত৷ তবে আমার একটা প্ল্যাস পয়েন্ট হলো৷ ওনার সাথে অনেক মিল আছে৷ বাবা বেতার ও মঞ্চ নাটক করেন৷ আমিও করি৷ উনি আর্ট করেন৷ আমিও করি৷ উনি প্রচুর বই পড়েন৷ আমিও পড়ি৷ তাই উনি আমাকে বেশি ভালবাসেন৷ সেদিন বাবা আমাকে শুধু একটাই কথা বলেছিলেন, “তুমি যাত্রা করলে ভাল করতে কেননা তোমার রাত জাগার অভ্যাস আছে”৷

বাবা যে উদ্দেশ্যেই কথাটা বলে থাকুক৷ সেটা ফলেনি৷ কারণ আমি যাত্রাও করিনি৷ আবার রাত জেগে বই পড়াও ছাড়িনি৷

সেদিনও গভীর রাত পর্যন্ত বই পড়ছিলাম৷ হুমায়ুন আহমেদের “হিমু” সিরিজ৷ রাত ক”টা দেখিনি৷ হঠাৎ বাহিরে জুতো পরা কিছু মানুষের খট খট শব্দ শুনতে পেলাম৷ লাইট অফ করে দিলাম৷ এই হচ্ছে একটা জ্বালা৷ আমাদের পাড়ায় প্রায় প্রতিদিনই পুলিশ রেইড করে৷ এখানে ঘরে ঘরে মস্তান৷ তাই চুপ করে বোঝার চেষ্টা করছি ঘটনাটা৷ ঘড়ি দেখলাম৷ রাত তিনটা৷ কিছুক্ষণ পর মনে হলো এটা পুলিশের বুটের আওয়াজ নয়৷ তাই মেইন গেট খুলে বাহিরে এলাম৷ তাছাড়া আমিতো গুন্ডা-বদমাশ নই৷ আমাকে দেখেই দুজন লোক জিজ্ঞেস করলেন, এখানে সজীবের বাড়ি কোনটা?

কোন সজীব?

কুষ্ঠ হাসপাতালে যিনি ছিলেন৷ নাটক লিখতেন?

কেন কী হয়েছে?

আসুন বলে আমাকে রাস্তায় দাঁড় করানো একটা ছোট্ট পিকআপের কাছে নিয়ে গেলেন৷ একটা ডালা খুলে বললেন “উনি আজ মারা গেছেন”৷

খোলা ডালার পাশে দাঁড়িয়ে দেখলাম অতি শীর্ণকায় এক ব্যক্তির লাশ পড়ে আছে আড়াআড়িভাবে৷ মাথার কাছে দড়ি দিয়ে বাঁধানো দু,বান্ডিল কাগজ৷

আমার শরীর কাঁপতে লাগলো৷ কাঁদতে কিংবা চিৎকার করতে পারছি না৷ গলা দিয়ে কোন আওয়াজ বের হচ্ছে না৷ ওনারা বললেন, কাগজের বান্ডিলগুলো হলো হাসপাতালের বেডে লেখা নাটকের পান্ডুলিপি৷ আমি শুধু হাতের ইশারায় ওনার বাড়িটা দেখিয়ে দিলাম৷ দ্রুত ঘরে আসলাম৷ চেষ্টা করেও কান্না চাপাতে পারলাম না৷ কান্নার শব্দ শুনে বাবা এসে কারণ জানতে চাইলে বললাম সজীব চাচা মারা গেছে৷

কয়েক মূহুর্তের মধ্যে সারা পাড়ায় ছড়িয়ে পড়লো৷ মানুষের ঢল৷ একটা শোকাবহ পরিবেশ৷ ফজরের নামাজের পর আরো লোকের আগমন ঘটলো৷ বিত্ববান ও বিশিষ্টজন৷ বিশেষ করে পৌরসভার সাবেক ও বর্তমান চেয়ারম্যান আসলেন৷ আমাদের পাড়ার একটা গর্ব করার বিষয় হলো৷ এখান থেকে অনেক পৌর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে৷ এখন আলোচনা চলছে৷ যে যাবার সে-তো গেছে৷ কিন্ত এ ছোট্ট ছেলে অসমের কী হবে? ওর লেখাপড়া৷ দেখাশুনার ব্যবস্থা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব৷ অবশেষে পাড়ার একজন ধনী বড় ভাই অসমের সমস্ত দায়িত্ব নেয়ার অঙ্গীকার করলেন৷ যথাসময়ে লাশ দাফন হলো৷ দিনে দিনে সকল ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান শেষ হলো৷ অসম আগের মতই খেলে বেড়াচ্ছে৷ ওর জীবনে কত বড় ক্ষতি হয়ে গেল তা বোঝোর মত যথেষ্ট বয়স হয়নি৷

স্কুলের বিরাট মাঠে যেখানে নাট্যকার সজীব সর্বদা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আর নাটক মঞ্চস্ত করতো৷ আজ সেখানে শোক সভার আয়োজন করা হলো৷ কত পন্ডিত, বুদ্ধিজীবি আর রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব স্মৃতিচারণ করলো তার শেষ নেই৷ অবশেষে সকলে দাবী তুললো চৌরাস্তার মোড়ে তাঁর একটা ভাষ্কর্য নির্মাণ করা হোক৷ আর নামকরণ করা হোক সজীব চত্ত্বর৷ সবাই মেনে নিল৷ বিশেষ করে পৌর চেয়ারম্যান ঘোষণা দিলেন, নাট্যকার সজীব আমার সহপাঠি, ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও বিশিষ্ট ব্যক্তি ছিলেন৷ তাই পৌরসভার ফান্ড থেকে এই ভাষ্কর্যের কাজ করা হবে৷

বেশ কিছুদিন পর সজীব চত্ত্বরের ভাষ্কর্যের বেদীমূলে এক ভিক্ষুককে দেখা যেতে লাগলো৷ ভিক্ষুকের বয়স কম৷ ছোট্ট ছেলে৷ সে আর কেউ নয় জীবনের অসম সংগ্রামরত অসম৷ আচ্ছা সজীব কি আগেই বুঝতে পেরেছিল যে এই ছেলেটাকে একদিন অসম সংগ্রাম করতে হবে? সেজন্যই কি নাম রেখেছিল অসম? ও বড় হলে একদিন বুঝতে পারবে৷ এদেশে মৃত লোকের স্মৃতি রক্ষার বাজেট থাকে৷ কিন্ত জীবিত মানুষের খাদ্য কিনে দেয়ার কোন বাজেট নেই৷ কেউ কথা রাখে না৷ পীর-পুরোহিত-পাদ্রী কেউই খোঁজ রাখে না৷ অসম বেদীর এমন একটা জায়গায় বসে থাকে৷ যেখানে ভাষ্কর্যের উপরের অংশটা তাকে রোদ-বৃষ্টি থেকে আগলে রাখে৷ যেভাবে পিতা তার সন্তানকে রক্ষা করে৷

আজ ভীষণ রোদ৷ অসম বসে আছে বেদীর এমন একটা স্থানে যেখানে শুধুই ছায়া৷ আর শান্তি! ভাষ্কর্যের উপরে অসম তাকিয়ে থাকে৷ যেখানে ম্যূরালে অংকিত হাস্যজ্জল নাট্যকার সজীব৷

লিখেছেন – রবীন জাকারিয়া

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on email
Share on telegram
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

Related Writings

— আমি যে কি জ্বালায় জ্বলছি, তোকে কি বলব দিদি! — কেন কি হয়েছে? — আর বলিস না। তোদের জামাইয়ের মুখে “খেলা হবে” ছাড়া আর কোন কথা নেই। কাল…Read More
আমি ওর মনের ক্যামেরায় বন্দী হয়েছিলাম অনেক আগেই। আমার সরল মন তা ঘূণাক্ষরেও বুঝতে পারেনি। যেদিকেই যেতাম ওর দেখা মিলতো। ভাবতাম, ও এমন ঘুরেই বেড়ায়। পরে বুঝেছি ও আমাকে…Read More
আলো পড়ে আসলেই কেল্লার গম্বুজগুলোর ভিতর থেকে ট্যাঁ ট্যাঁ করে টিয়ার ঝাঁক বেরিয়ে আসে বাসায় ফেরার জন্য। বাথানের মোষগুলো কাদামেখে থপ্ থপ্ করে ফেরত আসে। এই বিকেলের একটা বিষণ্ণতা…Read More

Home

Comments

Share

About

No Internet connection

Create Account or Register

Profile

Submission

Donate (Available Soon)

Language

Old Version

Help & Feedback

About (Update Soon)

User banner image
User avatar
About: The term ‘LiPi’ means “writing, letters, alphabet”, and contextually refers to scripts, the art or manner of writing. In ancient times, people used it as figures of objects to express their ideas. LiPi is also the record in writing of the utterances by mouth. LiPi Magazine, an International online Magazine platform, is looking for literary works from every part of the World that are thoughtful imaginings, inspiring events, and various facts based on trending topics regarding daily life, nature, love, suffering, pandemic, travels, food, culture, and many more.

Report This Writing